অভিযোগ প্রমাণ হলে কত বছরের সাজা হবে নাসির-তামিমার…?

ডিভোর্স পেপার ছাড়াই অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানা তাম্মির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। আজ বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসীমের আদালতে রাকিব হাসান বাদী হয়ে এ মামলা আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে ৩০ মার্চের মধ্যে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলায় অভিযোগে দণ্ডবিধির ৪৯৪/৪৯৭/৪৯৮ ও ৫০০ ধারার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ ধারাগুলোর সর্বোচ্চ শাস্তি সাত বছরের কারাদণ্ড। দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারায় স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিয়ে করায় ৭ বছরের পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে। এ ছাড়া অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন অপরাধী। মামলায় উল্লেখিত ৪৯৭ ধারাটি ব্যভিচারের। এই অপরাধ প্রমাণিত হলে দোষীকে সাত বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে। তবে নারী স্ত্রী ব্যক্তিটি দুষ্কর্মের সহায়তাকারী হিসেবে দণ্ডিত হবে না। মামলার ৪৯৮ ধারায় কোনো বিবাহিতা নারীকে অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে প্রলুব্ধকরণে দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

এ ছাড়া মামলায় উল্লেখিত ৫০০ ধারায় মানহানির অভিযোগ আনা হয়েছে। এই অপরাধেও দোষী দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি বাদীর (রাকিব হাসান) সঙ্গে ১নম্বর আসামি তামিমা সুলতানার ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক তিন লাখ এক টাকা দেনমোহরে বিয়ে এবং রেজিস্ট্রি হয়। বিয়ের পর থেকে তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে সংসার করতে থাকেন। তোবা হাসান নামে তাদের একটি মেয়ে রয়েছে। যার বর্তমান বয়স ৮ বছর। মামলায় বলা হয়, ‘চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমার সঙ্গে ২নম্বর আসামির (ক্রিকেটার নাসির) কথিত বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে তা বাদীর নজরে আসে। বাদী এ ধরনের ছবি দেখে হতবাক হয়ে যান। পরে পত্রিকায় এ বিষয়ে সংবাদ দেখে তিনি ঘটনার বিষয় নিশ্চিত হন।’ মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, ‘তামিমা বাদীর সঙ্গে বিয়ের সম্পর্ক চলমান থাকা অবস্থায় নাসিরের সঙ্গে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন।

নাসির বাদীকে ফোন করে জানান যে সম্পূর্ণ বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত এবং তার নিকট তামিমা আছেন। বাদীর সঙ্গে বিয়ের সম্পর্ক চলমান থাকা অবস্থায় তামিমার নাসিরকে বিয়ে করা যা ধর্মীয় এবং রাষ্ট্রীয় আইনে সম্পূর্ণ অবৈধ। আসামির সঙ্গে তিনি অবৈধ বিয়ের সম্পর্ক দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন, যা নিকৃষ্ট ব্যভিচার। আসামিদের এরূপ অনৈতিক ও অবৈধ সম্পর্কের কারণে বাদী ও তার শিশুকন্যা মারাত্মকভাবে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়েছেন। আসামিদের এহেন কার্যকলাপে বাদীর চরমভাবে মানহানি হয়েছে, যা বাদীর জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।’

 

আরও পড়ুন:

 মোবাইল সার্ভিসিং ট্রেনিং কোর্স , মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ ,মোবাইল রিপেয়ারিং কোর্স বাই মাহবুবওসমানী.কম

ডেইলি নিউজ টাইমস বিডি ডটকম (Dailynewstimesbd.com)এর ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব ও ফেসবুক পেইজটি ফলো করুন করুন।

Facebook Notice for EU! You need to login to view and post FB Comments!

Leave a Reply

Translate »