প্রমথ চৌধুরী এর জীবনী ও সাহিত্যকর্ম

প্রমথ চৌধুরী যশোরে জন্মগ্রহণ করেন । তাঁর পৈত্রিক নিবাস ছিল পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর গ্রামে । তিনি রবীন্দ্রনাথের অগ্রজ সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কন্যা ইন্দিরা দেবীকে বিবাহ করেন । প্রমথ চৌধুরী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বাংলা গদ্যে চলিত রীতির ব্যবহারে উদ্বদ্ধ করেন । চলতি ভাষাকে তিনি জনপ্রিয় করে তোলেন । প্রমথ চৌধুরী মূলত একজন প্রাবন্ধিক ।

প্রমথ চৌধুরী প্রমথ চৌধুরীর জন্ম তারিখ কত – ৭ আগস্ট ১৮৬৮ । তিনি কোথায় জন্মগ্রহণ করেন – যশোর । কোন ছদ্মনামে পরিচিত – বীরবল । চলতি রীতিতে প্রকাশিত তাঁর প্রথম গদ্যরচনা – বীরবলের হালখাতা (ভারতী পত্রিকায় প্রকাশ ১৯০২) । কোন মাসিক পত্রিকাটি সম্পাদনা করে প্রভূত খ্যাতি অর্জন করেন – সবুজপত্র (১৯১৪) । বাংলা সাহিত্যে তিনি কি হিসেবে স্মরণীয় – চলিত ভাষার প্রবর্তক ও বিদ্রুপাত্মক প্রাবন্ধিক হিসেবে । ’সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধটি কার রচনা – প্রমথ চৌধুরী । প্রমথ চৌধুরী রচিত ‘সাহিত্যে খেলা প্রবন্ধটি কোন প্রত্রিকায় প্রকশিত হয় – সবুজপত্র পত্রিকায় । ’সুশিক্ষিত ব্যক্তি মাত্রই স্বশিক্ষিত’ ।-উক্তিটি – প্রমথ চৌধুরীর ।

শিশুদের সামনে কোন কথা ভুলেও বলবেন না?

১৯১৪ সালে -প্রমথ চৌধুরীর ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধটি কোন সালে প্রকশিত হয় । কোন পত্রিকা সম্পাদনা করেন – ‘বিশ্বভারতী’ পত্রিকা । প্রমথ চৌধুরী প্রধান কি পদক লাভ করেন – কলকাতা বিশ্ববিদ্যায়ল থেকে জগত্তারিণী স্বর্ণপদক । ’ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালিই পড়ে’ -এ উক্তিটি করেছেন – প্রমথ চৌধুরী । জীবনী ও সাহিত্যকর্ম ’তবে বস্তু যে কি, তার জ্ঞান অনুভূতি সাপেক্ষ, তর্ক সাপেক্ষ নয়’- ব্যকটির রচয়িতা – প্রমথ চৌধুরী ।

’কুশীলব’ প্রসঙ্গ কোন রচনার অন্তর্গত – ’সাহিত্যে খেলা’ । শাস্ত্রমতে কাব্যরস হল অমৃত- উক্তিটি কার – প্রমথ চৌধুরী । ’মন উচুঁতেও উঠতে চায়, নীচুতেও নামতে চায়’- এ বাক্যটি কোন লেখকের লেখায় আছে – প্রমথ চৌধুরী । ’পাথুরে কয়লা হীরার সবর্ণ না হলেও সগোত্র’- বাক্যটির রচয়িতা – প্রমথ চৌধুরী । ’সাহিত্যে মানবাত্মা খেলা করে এবং সেই খেলার আনন্দ উপভোগ করে।’- কে বলেছেন – প্রমথ চৌধুরী ।

প্রমথ চৌধুরী কবে মৃত্যুবরণ করেন – ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ (১৬ ভাদ্র ১৩৫৩), শান্তিনিকেতনে । ’তেল নূন লাকড়ি’ কার রচিত গ্রন্থ – প্রমথ চৌধুরী । ’বীরবলের হালখাতা’ গ্রন্থটি কোন ধরনের রচনা – প্রবন্ধ । ’জীবনে জ্যাঠামি ও সাহিত্যে ন্যাকামি’ সহ্য করতে পারতেন না – প্রমথ চৌধুরী ।

বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষায় রচিত প্রথম গ্রন্থ – ’বীরবলের হালখাতা’ । ’সবুজপত্র’ পত্রিকার সম্পাদক – প্রমথ চৌধুরী । প্রমথ চৌধুরী একজন – প্রাবন্ধিক । এর জীবনী ’চার ইয়ারী কথা’ গ্রন্থটি কে রচনা করেন – প্রমথ চৌধুরী । চলিত বাংলা গদ্যের সার্থক প্রবর্তন করেন – প্রমথ চৌধুরী । চলিত ভাষাকে জনপ্রিয় করেন – প্রমথ চৌধুরী ।

প্রমথ চৌধুরী কোন বিষয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে প্রভাবিত করেছিলেন –চলতি ভাষার ব্যবহারে । ’বইপড়া’ প্রবন্ধটি কার লেখা – প্রমথ চৌধুরী । ’নীল লোহিত’ একটি – গল্পগ্রন্থ । রচিত প্রবন্ধগ্রন্থগুলোর নাম – ‘তেল নুন লকড়ি’ (১৯০৬), ‘বীরবলের হালখাত’ (১৯১৬), ’নানাকথা’ (১৯১৯), ’আমাদের শিক্ষা’ (১৯২০), ’রায়তের কথা’ (১৯২৬), ‘নানাচর্চা’ (১৯৩২), ’প্রবন্ধ সংগ্রহ’ (১ম খন্ড ১৯৫২ ও ২য় খন্ড ১৯৫৩) । রচিত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম – সনেট পঞ্চাশৎ (১৯১৩), পদচারণ (১৯১৯) । গল্পগ্রন্থগুলোর নাম – ‘চার ইয়ারী কথা’ (১৯১৬), ‘আহুতি’ (১৯১৯), নীল লোহিত ও গল্পসংগ্রহ (১৯৪১) ।

Leave a Reply

Translate »