Jeera Water: অনেক তারকাই দিন শুরু করেন এক গ্লাস জিরে ভেজানো জল খেয়ে, শুরু করুন আপনিও

হজমের জন্য জিরে খুবই উপকারী। রেজকার গ্যাস অম্বলের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সকালে খালি পেটে খান জিরে ভেজানো জল। অনেক উপকার পাবেন। কমবে ওজনওযে কারণে খাবেন জিরে ভেজানো জল

ভারতীয় মশলার গুণ অনেক। সুস্বাস্থ্যের খাতিরে সেই প্রাচীন থেকেই রান্নায় ব্যবহার করা হচ্ছে জিরে, ধনে, আদা, হলুদ, গেলমরিচ, লবঙ্গ, রাঁধুনি, মৌরি, জোয়ানের মত একাধিক মশলা। আর এই সবকটি মশলার মধ্যে কিন্তু দুর্দান্ত ওষধি গুণ রয়েছে। এখনও ওষুধ তৈরিতেও উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয় এই গোটা জিরে। শরীরের একাধিক সমস্যার সমাধান করে জিরে। আর জিরে ছাড়া যেন যে কোনও রান্নাই অসম্পূর্ণ। তা যে আমিষ হোক বা নিরামিষ। নিরামিষ যে কোনও তরকারিতে জিরে-আদা পড়লেই স্বাদ খোলতাই হয়। তেমনই জিরে দিয়ে পাতলা মাছের ঝোলও কিন্তু গরম ভাতে অমৃত। হজমের সমস্যার সমাধানে জিরের জুড়ি মেলা ভার। আবার ওজন কমাতেও সাহায্য করে এই জিরে। জিরে আমাজের মেটাবলিজম ঠিক রাখে, ডিটক্সিৎিকেশনে সাহায্য করে। আর তাই পুষ্টিবিদরা পরামর্শ দেন একগ্লাস জিরে ভেজানো জল দিয়েই দিন শুরু করার। বহু তারকার রোজকার রুটিনে কিন্তু থাকে এই জিরে ভেজানো জল

ওজন কমাতে প্রতি দিন সকালে খালি পেটে খেতে পারেন জিরে-জল। কোনও অ্যান্টাসিড মেডিসিন যত তাড়াতাড়ি শরীরকে অস্বস্তি জনিত সমস্যা থেকে আরাম দেয়, জিরের জলও কিন্তু একইভাবে কিন্তু কার্যকরী। জিরে শুধু হজমের সমস্যা সমাধান করে তাই না, ওজন কমাতেও একইভাবে সাহায্য করে জিরের জল। কারণ, জিরের জলে যথেষ্ট ক্যালোরি কম। এবং জিরের জলে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টস আছে। হজমের সমস্যা ঠিক করে। যে কারণে ওজন ঝরে তাড়াতাড়ি।

লেটেস্ট নিউজক্রিকেটবাজেটকলকাতাপশ্চিমবঙ্গদেশবিনোদনখেলাবিশ্বপ্রযুক্তিফটো গ্যালারিলাইফস্টাইলস্বাস্থ্য সংবাদব্যবসাবাঙালিয়ানা

ডায়াবেটিস রোগের মহৌষধ ডায়াবেটিস গাছ ও গাছের পাতা | Diabetes tree Healthcare Services | ডায়াবেটিস তাড়াতে খান গুরমার গাছের পাতা

Jeera Water: অনেক তারকাই দিন শুরু করেন এক গ্লাস জিরে ভেজানো জল খেয়ে, শুরু করুন আপনিও

যে কারণে খাবেন জিরে ভেজানো জল

ভারতীয় মশলার গুণ অনেক। সুস্বাস্থ্যের খাতিরে সেই প্রাচীন থেকেই রান্নায় ব্যবহার করা হচ্ছে জিরে, ধনে, আদা, হলুদ, গেলমরিচ, লবঙ্গ, রাঁধুনি, মৌরি, জোয়ানের মত একাধিক মশলা। আর এই সবকটি মশলার মধ্যে কিন্তু দুর্দান্ত ওষধি গুণ রয়েছে। এখনও ওষুধ তৈরিতেও উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয় এই গোটা জিরে। শরীরের একাধিক সমস্যার সমাধান করে জিরে। আর জিরে ছাড়া যেন যে কোনও রান্নাই অসম্পূর্ণ। তা যে আমিষ হোক বা নিরামিষ। নিরামিষ যে কোনও তরকারিতে জিরে-আদা পড়লেই স্বাদ খোলতাই হয়। তেমনই জিরে দিয়ে পাতলা মাছের ঝোলও কিন্তু গরম ভাতে অমৃত। হজমের সমস্যার সমাধানে জিরের জুড়ি মেলা ভার। আবার ওজন কমাতেও সাহায্য করে এই জিরে। জিরে আমাজের মেটাবলিজম ঠিক রাখে, ডিটক্সিৎিকেশনে সাহায্য করে। আর তাই পুষ্টিবিদরা পরামর্শ দেন একগ্লাস জিরে ভেজানো জল দিয়েই দিন শুরু করার। বহু তারকার রোজকার রুটিনে কিন্তু থাকে এই জিরে ভেজানো জল।

 

ওজন কমাতে প্রতি দিন সকালে খালি পেটে খেতে পারেন জিরে-জল। কোনও অ্যান্টাসিড মেডিসিন যত তাড়াতাড়ি শরীরকে অস্বস্তি জনিত সমস্যা থেকে আরাম দেয়, জিরের জলও কিন্তু একইভাবে কিন্তু কার্যকরী। জিরে শুধু হজমের সমস্যা সমাধান করে তাই না, ওজন কমাতেও একইভাবে সাহায্য করে জিরের জল। কারণ, জিরের জলে যথেষ্ট ক্যালোরি কম। এবং জিরের জলে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টস আছে। হজমের সমস্যা ঠিক করে। যে কারণে ওজন ঝরে তাড়াতাড়ি।

কানে ব্যথা ও হঠাৎ কানের পর্দা ফেটে যাওয়া

 

হজম করতে সাহায্য করে এটি খিদে কমায়, গ্যাস হতে দেয় না। আপনার উদ্দেশ্য যদি ওজন কমানো হয়, তবে নিয়মিত অন্তত তিন গ্রাম জিরে অবশ্যই খান। তিন মাস টানা তিন গ্রাম জিরে খাবেন। আপনার ওজন কমবেই (benefits of drinking jeera water) । জিরে অত্যন্ত লো ক্যালোরি। আপনি জিরের জল ছাড়াও রান্নাতেও জিরে দিয়ে খেতেই পারেন। জিরের গুঁড়ো ব্যবহার করুন। জিরের জলের উপকারিতা দারুণ।

 

লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়ায় আপনি যদি নিয়মিত জিরে জল খান, তবে শরীরের ডায়াজেস্টিভ এনাজ়াইমের উৎপাদন বেড়ে যায়। বেশ কয়েকটি গবেষণায় তা দেখা গিয়েছে। সেই সঙ্গে লিভারে ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানও শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে লিভারের কাজ করার ক্ষমতা দ্রুত বাড়ে। হজমও ভালো হয়।

 

ফুসফুসের জন্য ভাল

 

শরীরে মিউকাসের মাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা কমায় জিরে। জিরেতে সেরকম কিছু উপাদান আছে। ফুসফুসের কর্মক্ষমতাও ঠিক রাখে। ফলে শ্বাসকষ্টজনিত বিভিন্ন সমস্যা থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে।

 

শরীরের আর্দ্রতা বজায় রাখে

 

নিয়মিত জিরের জল খেলে শরীরে জলের ঘাটতি দূর হয়। সেই সঙ্গে শরীরের তাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ডিহাইড্রেশনের কোনও সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা একদম কমে যায়।

 

Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি শুধুমাত্র তথ্যের জন্য, কোনও ওষুধ বা চিকিৎসা সংক্রান্ত নয়। বিস্তারিত তথ্যের জন্য আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

 

Leave a Reply Cancel reply