চশমা সম্পর্কে সকল ধারনা চশমা প্রকার, কোথায় পাওয়া যায় | কিভাবে পড়তে হবে, চশমা কিভাবে পরিষ্কার করতে হয় | সারাদিন চশমা পরেন?

 চশমা সম্পর্কে সকল ধারনা চশমা প্রকার, কোথায় পাওয়া যায়,  কিভাবে পড়তে হবে, চশমা কিভাবে পরিষ্কার করতে হয়, সারাদিন চশমা পরেন?সারাদিন চশমা পরেন?
শরিফ চশমা ঘর 1 নং লেক সার্কাস, কলাবাগান ঢাকা 1205 মোবাইল নাম্বার 01713 96 14773 01626812171 এখানে সকল প্রকার পাওয়ার ও বিদেশি লেন্স এর অর্ডার নেওয়া হয়

জেনে নিন চশমা ঝকঝকে রাখার দারুণ উপায়

চশমা বিষয়টি অনেকের কাছে সারাদিন, সারাজীবনের সঙ্গী ৷ তা চোখের পাওয়ার যাই হোক না কেন, সুন্দর, ঝকঝকে চশমা কার না ভাল লাগে ৷ তবে চশমারও যত্ন নেওয়া উচিত ৷ আর যার জন্য রয়েছে, বেশ কিছু নিয়ম ৷
 সারাদিন পরে রাতে ঘুমতে যাওয়ার আগে একটা পাত্রে জল নিয়ে চশমা সারারাত ভিজিয়ে রাখুন ৷ সকালবেলা উঠে হালকা হাতে ধুয়ে নিন ৷ চশমা থাকবে ঝকঝকে ৷ সারাদিন পরে রাতে ঘুমতে যাওয়ার আগে একটা পাত্রে জল নিয়ে চশমা সারারাত ভিজিয়ে রাখুন ৷ সকালবেলা উঠে হালকা হাতে ধুয়ে নিন ৷ চশমা থাকবে ঝকঝকে ৷
 নরম সুতির কাপড় দিয়ে চশমা মুছবেন ৷ কাগজ ভিজিয়ে চশমা মুছলে, চশমা ঝকঝকে হবে ৷ নরম সুতির কাপড় দিয়ে চশমা মুছবেন ৷ কাগজ ভিজিয়ে চশমা মুছলে, চশমা ঝকঝকে হবে ৷
 টেবিল চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে ১ টেবিল চামচ জল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। মাইক্রোফাইবার কাপড়ে পেস্টটি নিয়ে ধীরে ধীরে ঘষে পরিষ্কার করুন গ্লাসের স্ক্র্যাচ।এছাড়া কম্পিউটার স্ক্রিন ক্লিনার কিংবা গাড়ির গ্লাস ক্লিনার দিয়েও পরিষ্কার করতে পারেন চশমার গ্লাস। ১ টেবিল চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে ১ টেবিল চামচ জল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। মাইক্রোফাইবার কাপড়ে পেস্টটি নিয়ে ধীরে ধীরে ঘষে পরিষ্কার করুন গ্লাসের স্ক্র্যাচ।এছাড়া কম্পিউটার স্ক্রিন ক্লিনার কিংবা গাড়ির গ্লাস ক্লিনার দিয়েও পরিষ্কার করতে পারেন চশমার গ্লাস।
আঙুলের ডগায় সামান্য টুথপেস্ট নিয়ে চশমার গ্লাসে চক্রাকারে লাগান। নরম কাপড় দিয়ে মুছে পরিষ্কার করে নিন গ্লাস। আঙুলের ডগায় সামান্য টুথপেস্ট নিয়ে চশমার গ্লাসে চক্রাকারে লাগান। নরম কাপড় দিয়ে মুছে পরিষ্কার করে নিন গ্লাস।

চশমা পরিষ্কার করুন ৮ উপায়ে

চশমার গ্লাসে ময়লা কিংবা স্ক্র্যাচ পড়লে পরিষ্কার করে ফেলুন ঝটপট। জেনে নিন কীভাবে বিভিন্নভাবে পরিষ্কার করবেন চশমার কাঁচ। ১ টেবিল চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে ১ টেবিল চামচ পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। মাইক্রোফাইবার কাপড়ে পেস্টটি নিয়ে ধীরে ধীরে ঘষে পরিষ্কার করুন গ্লাসের স্ক্র্যাচ। কম্পিউটার স্ক্রিন ক্লিনার কিংবা গাড়ির গ্লাস ক্লিনার দিয়েও পরিষ্কার করতে পারেন চশমার গ্লাস। আঙুলের ডগায় সামান্য টুথপেস্ট নিয়ে চশমার গ্লাসে চক্রাকারে লাগান। নরম কাপড় দিয়ে মুছে পরিষ্কার করে নিন গ্লাস। ১ টেবিল চামচ বেকিং সোডা ও ১ চা চামচ ভিনেগার মিশিয়ে চশমার কাচে ঘষে নিন। মাইক্রোফাইবার কাপড় কিংবা পাতলা ও নরম কাপড় দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করে ফেলুন।

ব্র্যান্ডের চশমা কতটা আসল

চল্লিশ পেরোলেই চশমা জীবনের অংশ হয়ে যায় অনেকের। কারও কারও চোখে চশমা ওঠার বয়সটি আরও অনেক কম। তবে বয়স যাই হোক একটা সময়ে চশমা পরার চল ছিল কেবল প্রয়োজনের তাগিদে। সেই সময় এখন অতীত। ফ্যাশনের দুনিয়ায় চোখের প্রয়োজন ছাড়াও অনেকে পরছেন চশমা। রাশভারী ফ্রেমের জায়গা দখল করে নিচ্ছে ছিপছিপে নানান ডিজাইন। ঢাকার অলিগলিতে এখন চশমার দোকান, ফলে যখন তখন ফ্রেম অথবা গ্লাস বদলানো কোনো কঠিন কাজ নয়। তবে যে চশমাটি কেনা হচ্ছে তার দাম ঠিকঠাক আছে তো? নামি ব্র্যান্ডের নামে নকল চশমা গছিয়ে দিচ্ছেন না তো বিক্রেতা? এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে পুরান ঢাকার পাটুয়াটুলীতে চশমার আমদানিকারক ও পাইকারি-খুচরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেছে নিউজবাংলা।
পাটুয়াটুলী জামে মসজিদের পাশেই দেশের সবচেয়ে বড় চশমার পাইকারি-খুচরা বাজার। এখান থেকেই সারা দেশের খুচরা বিক্রেতাদের কাছে চশমা যায়। গলির মতো রাস্তার দুই পাশের দোকানে মিলবে ৫০ টাকা থেকে ১৫ হাজার টাকা দামের চশমা। রোদচশমার দামের শুরু ১০০ টাকা থেকে। কিছু দোকানে এর চেয়েও দামি চশমা পাওয়া যায়। পাইকারি অথবা খুচরা, দুইভাবেই চলে বিক্রি। চশমার বাজারের রমরমা অবস্থায় বেশ খুশি নুর অপটিকসের ম্যানেজার আতাউর রহমান। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আগে মানুষ ছিল অসচেতন।
বয়স চল্লিশ পঞ্চাশ হলেই কেবল চোখের ডাক্তার দেখিয়ে চশমা নিত। ‘এখন তো ছোট বাচ্চারাও চশমা পরতেছে। একটু অসুবিধা হলেই বাবা-মায়েরা ডাক্তার দেখাচ্ছেন। আর ডাক্তার দেখালেইতো চশমা। তাছাড়া অনেকে আবার ফ্যাশনের জন্যেও পাওয়ার ছাড়া চশমা পরে।’ ব্র্যান্ডের চশমা কতটা আসল মানুষের রুচি ঘন ঘন বদল হওয়াও প্রভাব ফেলছে চশমার বাজারে। আতাউর বলেন, ‘এখন মানুষ আর এক চশমা নিয়ে পড়ে থাকে না। একটা চশমা কেনার পর রুচির পরিবর্তন হয়। অনেকে আবার ড্রেসের সাথে ম্যাচিং করে নতুন চশমা নেয়।’
সব আসে চীন থেকে প্যারাডাইস অপটিক্যালের বয়স সাত দশকের বেশি। পাটুয়াটুলীতে প্রথমদিকের পাঁচটি দোকানের একটি এই প্যারাডাইস। পরে যুক্ত হয় আরও তিন শ’র মতো দোকান। দোকানের বর্তমান মালিক উনায়েস আব্দুল্লাহ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আগে অনেকেই দেশের বাইরে থেকে অরিজিনাল ব্র্যান্ডের চশমা নিয়ে আসত। তবে এখন যা দেখছেন সব চায়না থেকে আসে। কোনোটাই আসল ব্র্যান্ডের না।’ উনায়েসের দাবি, ঢাকায় এখন আসল ব্র্যান্ডের চশমা বিক্রি হয় না বললেই চলে। কিছু দোকানে আছে এ ধরনের পণ্য, বাকি সব জায়গার চশমাই আসে চীন থেকে। ব্র্যান্ডের নামে বিক্রি হলেও সেগুলো আসলে ব্র্যান্ডের পণ্যের নিখুঁত ‘কপি’।
পাটুয়াটুলীর অন্যতম পুরনো চশমার দোকান কামাল অপটিক্যাল সার্ভিস। এর ম্যানেজার নাইনুর রহমান বাকেরও একমত উনায়েসের দাবির সঙ্গে। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চায়না থেকেই আসে সব। নানান রকম ব্র্যান্ডের নাম লিখে সেগুলো নিয়ে আসা হয়।’ অবশ্য ব্র্যান্ডের ভেবে চীনা পণ্য কিনে ফেললে হতাশ হওয়ার কিছ নেই বলেও মনে করছেন পাটুয়াটুলীর ব্যবসায়ীরা। উনায়েস নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চায়না শুনেই ভয় পাওয়ার কিছু নেই। চায়না থেকেও এখন ভালো চশমা আসে। তবে এর মধ্যেও কোয়ালিটি আছে, গ্রেড আছে। ফার্স্ট ক্লাস, সেকেন্ড ক্লাস বা মাস্টার কপি।’ তবে ‘ফার্স্ট ক্লাস’ চশমা চেনার পরিষ্কার কোনো কৌশল জানা নেই উনায়েসের। ‘এটা বোঝা আসলেও মুশকিল। আমরা নিজেরাও অনেক সময় হোলসেলে কিনতে গিয়ে ঠকে যাই। যেটা করতে হবে, বিশ্বস্ত দোকান থেকে কিনতে হবে।’ ব্র্যান্ডের কপির মধ্যেও আছে হাজার রকম তফাত। কারণ জানতে চাইলে জবাব, ‘কোনো কিছুর একটা কপি হলে ঠিক আছে, কিন্তু দশটা কপি হলে কি মান ঠিক থাকবে? একটা কপি যদি ১৫০০ টাকার জন্য বানানো হয়, আরেকটা যদি ৫০০ টাকায় দিতে হয়, তাহলে কোয়ালিটি কি ঠিক থাকবে?’ ব্র্যান্ডের চশমা কতটা আসল কোন চশমার চল বেশি এ সময়ে কী ধরনের চশমা চলছে বেশি- জানার চেষ্টা করেছে নিউজবাংলা। বিক্রেতা ও ক্রেতারা জানান, বিভিন্ন রঙের ছোপ আছে- এমন ফ্রেমের চশমা এখন তরুণদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়।
এমনকি কাপড়ের মতো চেক বা স্ট্রাইপের ও পুঁতিযুক্ত ফ্রেমও বেশ চলছে। দোকানিরা জানান, পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে নীল, গোলাপি, বেগুনি, কমলা রঙের চশমাও ব্যবহার করেন অনেকে। কারও পছন্দ হ্যালো কিটি চশমা। হ্যালো কিটির বো-এর মধ্যে তারকাখচিত চশমাও পছন্দ অনেকের। তবে বয়স্করা এখনও পড়ে আছেন সেই এক রঙা কালো-খয়েরি ফ্রেমের চশমায়। কামাল অপটিক্যালের নাইনুর রহমান বাকের বলেন, ‘৩২ বছরের সার্ভিসে অনেক কিছুই দেখেছি। আগে মানুষ পরতো মোটা ফ্রেমের কাচের চশমা। এখন মানুষ একটু হালকা চায়। কাচের বদলে এখন আসছে প্লাস্টিক।’ চশমার ফ্রেমের আকৃতিতেও এসেছে বৈচিত্র্য।
এমনই একটির নাম ক্যাটস আই চশমা। বেড়াল চোখের আকৃতির এই চশমা ছাড়াও চারকোনা ফ্রেম বা একটু গোলাকৃতির ফ্রেমও চলছে বেশ। ঢাকার যে কোনো দোকানের চেয়ে অনেক কমে কেনা যায় বলে অনেকেই একসঙ্গে অনেক চশমা কিনতে যান পাটুয়াটুলীতে। এখানে প্রায় সব দোকানেই আছে চোখের ডাক্তার দেখিয়ে চশমা বানিয়ে নেয়ার সুযোগ। লতিফ অপটিক্যালের মালিক জিন্নাত আরা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ডাক্তার দেখানো যায় ৬০০ টাকা ফি দিয়ে। একইসঙ্গে পুরনো চশমাও মেরামত করা হয় এক দিন সময় নিয়ে। এখানকার ৯০ শতাংশ দোকানেই এই সার্ভিস রয়েছে।

সেরা চশমা কোথায় পাবেন

উচ্চমানের চশমার অনেক সরবরাহকারী রয়েছে। এই সরবরাহকারীদের সম্পর্কে সর্বোত্তম অংশটি হ’ল পণ্য এবং দামের তুলনার পরে কেবল ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে অনুসন্ধান করে সেগুলি পাওয়া যায়। অনলাইন পরিষেবার মাধ্যমে চশমা সরবরাহকারীদের কিছু পাওয়া যায়। যদিও তাদের বেশিরভাগই বাস্তব বিশ্বের বিভিন্ন কাঁচ প্রস্তুতকারকের সাথে কাজ করতে পছন্দ করেন। ভার্চুয়াল বাজারে পাওয়া যাবে এমন কয়েকটি সংস্থা রয়েছে। তবুও, তারা গবেষণায় বেশি সময় ব্যয় না করে গ্রাহককে তাদের যা প্রয়োজন ঠিক তা পেতে সহায়তা করতে পারে। অনলাইনে চশমা কিনে নেওয়া কিছু লোক ঝামেলা এড়াতে এমনটি করেন কারণ তারা এই সরবরাহকারীরা যে অর্থ-সাশ্রয়ী অফারগুলি উপভোগ করে তার কিছুটা নিতে পারে। কিছু চশমা সাধারণত অনলাইন গ্রাহকদের জন্য ছাড়ে পাওয়া যায়। 3 ডি চশমা সরবরাহকারীরা কেবল নির্মাতারা নয় তবে এর মধ্যে রঙিন ফিল্টার, লেন্স, ফর্ম লেন্স, ফ্রেম এবং প্রদর্শন স্ট্যান্ডের মতো আনুষাঙ্গিকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
কিছু চশমা এই দৃশ্যটি সরবরাহ করবে যে এগুলি সমতল এবং অন্যরা আলাদা আকার দেবে। তারা যে ধরণের উপাদান থেকে তৈরি হয় তার উপর নির্ভর করে বিভিন্ন ধরণের চশমা রয়েছে। নির্মাতারা সাধারণত যে কাচের উপকরণগুলি ব্যবহার করেন সেগুলির মধ্যে রয়েছে গ্লাস, প্লাস্টিক এবং এমনকি ধাতু যেমন তামা, নিকেল, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি the উপকরণ যত বেশি ব্যয়বহুল, চশমা তত বেশি ব্যয়বহুল। চশমাটি শুধুমাত্র বিনোদনমূলক উদ্দেশ্যে নয় বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্যও ব্যবহার করা যেতে পারে। আপনি এগুলি নির্দিষ্ট কারণে উপস্থাপন করতে চান কিনা তা বিবেচনার বিষয়।
উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি কাউকে বিশেষ কাউকে কিছু দেওয়ার জন্য কোনও নির্দিষ্ট পণ্যটির সন্ধান করছেন তবে আপনি চশমাটি কোনও নির্দিষ্ট সংস্থার কাছ থেকে কিনতে চাইতে পারেন। কখনও কখনও জন্মদিন বা বড়দিনের উপহার হিসাবে চশমা কেনা হয়। আপনি প্রাপককে একটি দুর্দান্ত শীতল জুড়ি পেতে পারেন যা সম্ভবত অনন্য কারণ চশমাটি সেই উপলক্ষের জন্য উপযুক্ত। গ্লাসের ধরণটি বর্তমান তৈরি করতে পারে বা ভাঙতে পারে। আপনি যদি কারও জন্মদিনের জন্য এক জোড়া চশমা উপহার দিতে চান তবে আপনি অনলাইনে অর্ডার করতে পারেন। অনেকগুলি সংস্থা রয়েছে যা কোনও ঝামেলা ছাড়াই সেই ব্যক্তির দ্বারে উপস্থিত উপহার দেবে। এইভাবে, আপনি আপনার প্রিয়জনকে একটি চমক দেবেন। কিছু চশমা রয়েছে যা স্পোর্টস আইওয়্যার হিসাবে ব্যবহার করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, আবার এমন কিছু চশমা রয়েছে যা বাইরের জন্য উপযুক্ত suited চশমার শৈলীটিও বিবেচনা করা উচিত। কিছু চশমা প্রচলিত পদ্ধতিতে ডিজাইন করা হয়েছে, আবার কিছু আধুনিক এবং স্টাইলিশ হতে পারে।
লাইফস্টাইল রকমারি চশমার ফ্রেম
‘চল্লিশ পেরুলেই চালশে’— কথাটা এই সময়ে আর খাটছে না। নানান বয়সী মানুষের চোখেই এখন চশমা দেখা যায়। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কেতাদুরস্ত হওয়ার জন্য রয়েছে বাহারি চশমার ফ্রেম। রাজধানীর বিভিন্ন শপিং সেন্টারগুলো থেকে শুরু করে ফুটপাথ পর্যন্ত প্রায় সবখানেই পাওয়া যায় চশমার ফ্রেম।
তবে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ি চশমার ফ্রেম আর কাচ বা কনট্যাক্ট লেন্স কিনতে চশমার দোকানগুলোতে যেতে হবে। রাজধানীর বসুন্ধরা শপিং সেন্টার, ধানমণ্ডির সাত মসজিদ রোড, এলিফেন্ট রোড, ফার্মগেইটসহ বিভিন্ন জায়গায় আছে কয়েকটি ভালোমানের চশমার দোকান। দোকানগুলোতে ব্র্যান্ডের কাচের মধ্যে পাওয়া যাবে ভারতীয় ব্র্যান্ড ক্রিজাল-এর কাচ, বর্তমান মূল্য ৩ হাজার টাকা থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।
প্লাস্টিক বা সেলুলয়েডের কাচগুলো তিন ধরনের হয়— হোয়াইট লেন্স, হোয়াইট অ্যান্টি রিফ্লেক্ট লেন্স ও  অটো গ্লাস। হোয়াইট লেন্সের দাম ২শ’ থেকে ৪শ’ টাকা। অ্যান্টি রিফ্লেক্টের দাম ৩শ’ থেকে ১৫শ’ টাকা আর অটোগ্লাসের দাম ১ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা। তবে পাওয়ারের উপর ভিত্তি করে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে কাচের পেছনে, জানালেন সাত মসজিদ রোডে অবস্থিত জুয়েল অপটিকসের ম্যানেজার সুদাম দাস। ধানমণ্ডির ৯/এ-তে আই কিং দোকানে ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ নুর হোসেন বলেন, “চশমার সঠিক পাওয়ারের পাশাপাশি ভালো মানের পছন্দসই একটি ফ্রেমও প্রয়োজন। তবে নামীদামী ব্র্যান্ডের বেশিরভাগ ফ্রেমের দাম আকাশছোঁয়া।
এমনকি কিছু ব্র্যান্ডের রেপ্লিকা ফ্রেমগুলোর দামও অনেকসময়  সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যায়।” চাহিদা কম থাকায় বেশিরভাগ দোকানেই ব্র্যান্ডের ফ্রেম কমই রাখা হয়। ধানমণ্ডির অপর একটি দোকান অপটিকাল বাজারের ম্যানেজার তুহিন আহমেদ বলেন, “চশমার ফ্রেমের মধ্যে কর্ডলেস ফ্রেমগুলোর চাহিদা সবচাইতে বেশি।” ব্র্যান্ডের কর্ডলেস ফ্রেমের মধ্যে কার্ডিয়ার ফ্রেমগুলোর দাম ৮০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
 গুচি পাওয়া যাবে ১৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকায়। রোডেনস্টক পাওয়া যাচ্ছে ৮ হাজার টাকা থেকে ২০ হাজার টাকায়। ক্যরেরা পাবেন ৩ হাজার টাকা থেকে ১৮ হাজার টাকায়। ফুলফ্রেমের মধ্যে রে-ব্যান পাওয়া যাচ্ছে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকায়। ৩ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকায় পাওয়া যাবে প্রাডা’র ফ্রেমগুলো। পলিস বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকার মধ্যে। ২ হাজার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকায় পাওয়া যায় কার্টিয়ের-এর ফ্রেম। ডিওর পাওয়া যাচ্ছে ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকায়। টেকসই কম হওয়ার কারণে রিমলেস ফ্রেমগুলোর চাহিদা কিছুটা কম। রে-ব্যান, গুচি এবং ডি অ্যান্ড জি-এর রিমলেস ফ্রেমগুলো পাওয়া যাচ্ছে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে। এছাড়া ক্যালভিন ক্লাইন আছে ২ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকায়।
একই বাজেটে পাবেন এম্পোরিও আরমানি’র ফ্রেমগুলোও। নানান ব্র্যান্ডের ফ্রেমের সমারহ থাকলেও নন-ব্র্যান্ডের ফ্রেমের প্রতিই ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি। একটু দেখেশুনে কিনতে পারলে ব্র্যান্ডের চশমাগুলোর আদলে তৈরি নন-ব্র্যান্ড ফ্রেমগুলোও দেখতে দারুণ ফ্যাশনেবল। এছাড়াও নন-ব্র্যান্ডের ফ্রেমের মধ্যে ডিজাইনের বৈচিত্র্যও পাওয়া যায় বেশি। ২শ’ টাকা থেকে শুরু করে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত এই ফ্রেমগুলোর দাম। তবে মানসম্মত ফ্রেম চাইলে কমপক্ষে ২ হাজার টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা খরচ করার পরামর্শ দিলেন বিক্রেতারা। জুয়েল অপটিকসের সুদাম দাসের মতে, “এই ফ্রেমগুলো টেকসই এবং রং দীর্ঘস্থায়ী।”
চশমা পরতে না চাইলে ব্যবহার করতে পারেন কনট্যাক্ট লেন্স। ব্র্যান্ডের কনট্যাক্ট লেন্স বাংলাদেশে খুব একটা পাওয়া যায় না বলেই জানালেন আই কিং-এর নুর হোসেন। তবে চায়না ব্র্যান্ড ‘ফ্রেশ লুক’-এর লেন্সগুলোর গুণগত মান ভালো এবং বেশ জনপ্রিয়। ফ্রেশ লুকের পুরোপুরি সচ্ছ পাওয়ার লেন্সগুলোর দাম ৮শ’ থেকে ১ হাজার টাকা। আর রঙিন পাওয়ার লেন্সগুলোর দাম ১ হাজার ২শ’ টাকা থেকে ১ হাজার ৫শ’ টাকা। পাওয়ার ছাড়া লেন্সের দাম ৬শ’ থেকে ৮শ’ টাকা। আর ড্রপারের দাম ২শ’ টাকা। চশমা নেওয়ার আগে ডাক্তারের কাছে চোখ পরীক্ষা করিয়ে চোখের পাওয়ার নিশ্চিত হয়ে নেওয়া জরুরি। কারণ উল্টোপাল্টা পাওয়ারের চশমা ব্যবহার করলে চোখের সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে।
তথ্য: ব্রাইট সাইড

Cheapest Sunglasses Market In Dhaka , Buy Ray-Ban,Fastrack Sunglasses In Bd, chasma

#3D চশমা # অ্যালুমিনিয়াম #copper # আইওয়্যার # গ্লাস # উচ্চমানের চশমা #নিকেল করা # স্পোর্ট চশমা # 3 চশমার সরবরাহকারী, দাম মেয়েদের চশমার ডিজাইন ২০২০, চশমার লেন্সের দাম, মেয়েদের চশমার ডিজাইন ২০২১, চশমার ফ্রেম ডিজাইন, মেয়েদের চশমার ফ্রেম, ছেলেদের চশমার ডিজাইন ২০২0

Leave a Reply Cancel reply