প্রধান শিক্ষকের ধর্ষণের শিকার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের (ভারপ্রাপ্ত) ধর্ষণের শিকার হয়েছে ওই বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রী। শিশুটি বর্তমানে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় শিশুটির মামা বাদি হয়ে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার পর থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন ওই শিক্ষক।

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল তিনটার দিকে জেলার সরাইল উপজেলার বুড্ডা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে ওই ছাত্রীর মামা শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সরাইল থানায় মামলা দায়ের করেন।

অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম আবদুল মুহিত (৪৮)।

মামলার এজাহার ও স্থানীয়রা জানান, ওই ছাত্রীর বাড়ি জেলার বিজয়নগর উপজেলায়। তবে মা-বাবা প্রবাসে থাকায় সে মামার বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করছে। বুধবার বেলা তিনটায় বিদ্যালয় ছুটি হলে শিক্ষক আবদুল মুহিত সব শিক্ষার্থীকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিলেও কৌশলে ওই ছাত্রীকে বিদ্যালয়ে ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে রেখে দেন। পরে সুযোগ বুঝে ধর্ষণ করেন। এরপর ওই ছাত্রী বাড়িতে গিয়ে তার নানির কাছে ঘটনাটি জানায়। পরে ছাত্রীর মামা তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।

এ ব্যাপারে সরাইল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল আজিজ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিধি মোতাবেক আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন: সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের মোবাইল নাম্বার ও ঠিকানা জেনে নিন

সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসলাম হোসেন বলেন, শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আসামি গা ঢাকা দিয়েছেন। তাকে দ্রুত গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালানো হয়েছে।

Leave a Reply

Translate »