শিশুকে শোয়ানোর নিয়ম! Baby sleeping Images

সোনামনির যত্ন সদ্যোজাত শিশুকে কীভাবে শোয়াব, কী রকম বালিশ ব্যবহার করব, কেমন করে শোয়ালে মাথা গোল আর সুন্দর হয়—এমন নানান ভাবনা অনেকের মধ্যে রয়েছে। ঠিকভাবে না শোয়ানো হলে শিশুর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে, বৃদ্ধিও ব্যাহত হয়। পশ্চিমা দেশগুলোতে সদ্যোজাত শিশুরা মায়ের সঙ্গে একই বিছানায় ঘুমায় না, তাদের জন্য আলাদা বিছানা থাকে। কিন্তু বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, বাচ্চারা মায়ের সঙ্গে একই বিছানায় ঘুমালে কোনো ক্ষতি নেই। বরং এতে শিশুর শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে অর্থাৎ হঠাৎ শরীরের তাপ কমে গিয়ে বিপদ ঘটে না। আবার মায়ের সঙ্গে একই বিছানায় ঘুমানোর ফলে বুকের দুধ খাওয়ানোও সহজ হয়।শিশুকে ঘুম পাড়ানোর সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন কাত বা চিত করে শোয়ানো হয়।

সদ্যোজাত শিশুকে কীভাবে শোয়াব, কী রকম বালিশ ব্যবহার করব, কেমন করে শোয়ালে মাথা গোল আর সুন্দর হয়—এমন নানান ভাবনা অনেকের মধ্যে রয়েছে। ঠিকভাবে না শোয়ানো হলে শিশুর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে, বৃদ্ধিও ব্যাহত হয়। পশ্চিমা দেশগুলোতে সদ্যোজাত শিশুরা মায়ের সঙ্গে একই বিছানায় ঘুমায় না, তাদের জন্য আলাদা বিছানা থাকে। কিন্তু বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, বাচ্চারা মায়ের সঙ্গে একই বিছানায় ঘুমালে কোনো ক্ষতি নেই। বরং এতে শিশুর শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে অর্থাৎ হঠাৎ শরীরের তাপ কমে গিয়ে বিপদ ঘটে না। আবার মায়ের সঙ্গে একই বিছানায় ঘুমানোর ফলে বুকের দুধ খাওয়ানোও সহজ হয়।

শিশুকে ঘুম পাড়ানোর সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন কাত বা চিত করে শোয়ানো হয়। কখনোই উপুড় করে শোয়ানো উচিত নয়। উপুড় করে শোয়ালে বাচ্চার নাক বন্ধ হয়ে যেতে পারে, বুকেও চাপ লাগতে পারে। নির্দিষ্ট একটি দিকে কাত করে অনেকক্ষণ না রেখে মাঝেমধ্যে এপাশ-ওপাশ করে দিন। অবশ্য যদি কখনো বমি বেশি হয়, তখন বাম দিকে কাত করে শোয়ালে ভালো হয়।

 অনেকেই বাচ্চাকে কোলে দুলিয়ে ঘুম পাড়ান; এতে পরে অসুবিধা হয়। কারণ এতে সে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে এবং বিছানায় শোয়ালেই জেগে ওঠে। শরীর খারাপ থাকলে, বিশেষ করে পেটে ব্যথা হলে শিশুদের ঘুমের সমস্যা হয়। তখন কোলে নিয়ে কাঁধে মাথা রেখে ঘুম পাড়ালে আরাম পায়। শিশুদের জন্য সবচেয়ে ভালো হলো বালিশ ছাড়া আরামদায়ক বিছানায় শোয়ানো। বালিশ ব্যবহার করলে ঘুমানোর সময় শিশুর ঘাড় ও গলা বেঁকে যায় বা ভাঁজ পড়ে, এতে নিঃশ্বাস নিতে অসুবিধা হয়।

বাচ্চার যদি ঘুমের মধ্যে নাকে শব্দ হয়, তবে বুঝতে হবে শ্বাসনালিতে বাধা তৈরি হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে গলায় বা নাকে কিছু আছে কি না, দেখে সেটা পরিষ্কার করে দিন। শিশুকে বিছানার যে পাশে দেয়াল আছে, সেদিকে শোয়ান।

শিশু বিশেষজ্ঞ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ

কখনোই উপুড় করে শোয়ানো উচিত নয়। উপুড় করে শোয়ালে বাচ্চার নাক বন্ধ হয়ে যেতে পারে, বুকেও চাপ লাগতে পারে। নির্দিষ্ট একটি দিকে কাত করে অনেকক্ষণ না রেখে মাঝেমধ্যে এপাশ-ওপাশ করে দিন। অবশ্য যদি কখনো বমি বেশি হয়, তখন বাম দিকে কাত করে শোয়ালে ভালো হয়।

মিঠুনের কুড়িয়ে পাওয়া মেয়ের সৌন্দর্যে হার মানবে নায়িকারাও

অনেকেই বাচ্চাকে কোলে দুলিয়ে ঘুম পাড়ান; এতে পরে অসুবিধা হয়। কারণ এতে সে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে এবং বিছানায় শোয়ালেই জেগে ওঠে। শরীর খারাপ থাকলে, বিশেষ করে পেটে ব্যথা হলে শিশুদের ঘুমের সমস্যা হয়। তখন কোলে নিয়ে কাঁধে মাথা রেখে ঘুম পাড়ালে আরাম পায়। শিশুদের জন্য সবচেয়ে ভালো হলো বালিশ ছাড়া আরামদায়ক বিছানায় শোয়ানো। বালিশ ব্যবহার করলে ঘুমানোর সময় শিশুর ঘাড় ও গলা বেঁকে যায় বা ভাঁজ পড়ে, এতে নিঃশ্বাস নিতে অসুবিধা হয়। বাচ্চার যদি ঘুমের মধ্যে নাকে শব্দ হয়, তবে বুঝতে হবে শ্বাসনালিতে বাধা তৈরি হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে গলায় বা নাকে কিছু আছে কি না, দেখে সেটা পরিষ্কার করে দিন। শিশুকে বিছানার যে পাশে দেয়াল আছে, সেদিকে শোয়ান।

বাসায় যদি নবজাতক থাকে, তাহলে শিশুর নিরাপদ ঘুমের অবস্থান এবং সাডেন ইনফ্যান্ট ডেথ সিন্ড্রোম বা SIDS এর ঝুঁকি কমানোর উপায় সম্পর্কে জানাটা সবার জন্য জরুরি, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর প্রায় ২৫০০ শিশুর জীবন কেড়ে নেয়।

প্রায় ৮০% আকস্মিক ও অপ্রত্যাশিত শিশু মৃত্যুর কারণ হল সিডস এবং এই ঝুঁকি এড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হল এক বছরের কম বয়সী শিশুকে ঘুমানোর সময় চিৎ করে শোয়ানো (supine position)।

শিশুর ঘুমানোর নিরাপদ এবং আদর্শ অবস্থান নিয়েই আজকের আলোচনা।

ঘুমানোর সময় শিশুকে কিভাবে শোয়ানো নিরাপদ November 27, 2018June 22, 2022 fairylandbd আর্টিকেলটিতে যেসব বিষয় আলোচনা করা হয়েছে – শিশুর ঘুমের অভ্যাস যা অপ্রত্যাশিত মৃত্যু বা Sudden Unexpected Death In Infancy (SUDI) এর জন্য দায়ী শিশুর শোয়ানোর জন্য নিরাপদ এবং অনিরাপদ অবস্থান কোন কোন ক্ষেত্রে শিশুদের পেটের উপর বা উপুড় করে শোয়ানোর পরামর্শ দেয়া হতে পারে?

শিশুর নিরাপদ ঘুমের জন্য কিছু টিপস বাচ্চাকে শোয়ানোর ব্যাপারে বাবা মায়েরা সাধারণত যেসব প্রশ্ন করেন শেয়ার করে অন্যদের জানাতে সাহায্য করুন বাসায় যদি নবজাতক থাকে, তাহলে শিশুর নিরাপদ ঘুমের অবস্থান এবং সাডেন ইনফ্যান্ট ডেথ সিন্ড্রোম বা SIDS এর ঝুঁকি কমানোর উপায় সম্পর্কে জানাটা সবার জন্য জরুরি, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর প্রায় ২৫০০ শিশুর জীবন কেড়ে নেয়। প্রায় ৮০% আকস্মিক ও অপ্রত্যাশিত শিশু মৃত্যুর কারণ হল সিডস এবং এই ঝুঁকি এড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হল এক বছরের কম বয়সী শিশুকে ঘুমানোর সময় চিৎ করে শোয়ানো (supine position)। শিশুর ঘুমানোর নিরাপদ এবং আদর্শ অবস্থান নিয়েই আজকের আলোচনা।

শিশুর ঘুমের অভ্যাস যা অপ্রত্যাশিত মৃত্যু বা Sudden Unexpected Death In Infancy (SUDI) এর জন্য দায়ী শিশুর অপ্রত্যাশিত মৃত্যু বা (Sudden Unexpected Death In Infancy (SUDI) এর মধ্যে SIDS এবং ঘুম জনিত মৃত্যু অন্তর্ভুক্ত। নিম্নলিখিত কিছু কারণ শিশুর অপ্রত্যাশিত মৃত্যু ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়- শিশুকে পেটের উপর বা উপুড় করে এবং এক পাশ ফিরিয়ে ঘুমাতে দেওয়া। শিশুকে নরম গদি, সোফা, বালিশে ঘুমাতে দেওয়া, সেটা সাথে মা বাবা থাকুক আর না থাকুক। গর্ভাবস্থায় বা সন্তানের জন্মের পরে ধূমপান করা। শিশুকে অতিরিক্ত কম্বল বা কাঁথা জড়িয়ে ঘুম পাড়ানো যা শিশুর নাক মুখ ঢেকে দিয়ে তার শ্বাস প্রশ্বাস বন্ধ করে দিতে পারে।

শিশুর শোয়ানোর জন্য নিরাপদ এবং অনিরাপদ অবস্থান উপরের ঝুঁকিগুলি মোকাবেলা করতে শিশুর জন্য নিরাপদ এবং অনিরাপদ ঘুমের অবস্থান সম্পর্কে জানাটা অপরিহার্য।

নীচে শিশুর ঘুমানোর অবস্থান এবং সে সম্পর্কিত ঝুঁকি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে- চিৎ হয়ে ঘুমানো শিশুদের ঘুমানোর সময় চিৎ করে শোয়ানো উচিত। সেটা দিনের বেলা অল্প সময়ের ঘুমের ক্ষেত্রে হোক বা রাতের দীর্ঘ সময়ের ঘুমের জন্য।

এভাবে ঘুমানোর সুফলগুলো হলো- চিৎ হয়ে ঘুমানোর ফলে SIDS এর ঝুঁকি অনেকটা কমে যায় কারণ এভাবে ঘুমালে শিশুর শ্বাসনালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশংকা কম থাকে। আমেরিকার স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ কেন্দ্রের জাতীয় শিশু ইনস্টিটিউট (এনআইসিডি) এটিকে শিশুদের জন্য সবচেয়ে ভাল ঘুমের অবস্থান হিসাবে চিহ্নিত করেছে।

আমেরিকান একাডেমী অব পেডিয়াট্রিক্স ১৯৯২ সালে বাবা মায়েদের ‘ব্যাক-টু-স্লিপ’ বা চিৎ করে শোয়ানোর পরামর্শ দেয়া শুরু করে এবং এতে করে, SIDS এর হার ৫০% কমে গিয়েছিল। চিৎ করে শোয়ানোর ফলে যেসব অসুবিধা হতে পারে যদি বাচ্চা চিৎ হয়ে দীর্ঘ সময় শুয়ে থাকে তবে বাচ্চার মাথার পেছনের দিক সমান হয়ে যেতে পারে বা মাথার আকারের বিকৃতি ঘটতে পারে। তবে এই সমস্যা বাচ্চার এক বছর বয়স হতে হতে ঠিক হয়ে যায় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কোন চিকিৎসার প্রয়োজন পড়েনা।

কিছু কৌশল অবলম্বন করে খুব সহজেই এই অবস্থা এড়ানো যেতে পারে। তা হলো- শিশু যখন জেগে থাকে তখন তাকে পেট এর উপর বা উপুড় করে (Tummy Time) রাখুন।এসময় অবশ্যই কেউ সাথে থাকতে হবে। মাথার কোন একপাশ চ্যাপ্টা হয়ে গেলে শিশু ঘুমানোর সময় তার মাথা অন্য দিকটায় ঘুরিয়ে দিন। বাচ্চাকে ক্যারিয়ার বা কার সিটে কম রাখার চেষ্টা করুন। বাচ্চাকে কোলে রাখার সময় কিছুটা বাড়িয়ে দিন। বাচ্চার মনোযোগ আকর্ষণের জন্য যদি তার বিছানার পাশে কিছু রাখেন তবে মাঝে মাঝে সেগুলোর অবস্থান পরিবর্তন করুন।

এতে বাচ্চা ঐ জিনিসগুলো দেখার জন্য তার মাথা শুধু একদিকেই ঘুরিয়ে রাখবেনা। পেটের উপর ঘুমানো বেশ কিছু কারনে মা বাবাদের শিশুকে পেটের উপর বা উপুড় করে ঘুম পারাতে নিরুৎসাহিত করা হয়: এভাবে শোয়ার ফলে বাচ্চার চোয়ালে চাপ পড়তে পারে যার ফলে তার শ্বাসনালী সঙ্কুচিত হয়ে শ্বাস প্রশ্বাসে বাঁধা সৃষ্টি করতে পারে। শিশু যদি পেট এর উপর ঘুমাতে থাকে তবে তবে সে কাথার ভেতর মুখ ঢুকিয়ে ঘুমায় এবং তার নাক বিছানার খুব কাছাকাছি থাকে এতে সে একই বাতাস বার বার নিঃশ্বাসের সাথে নিতে থাকে যা তার জন্য অসাস্থ্যকর। শিশু খুব নরম গদির উপর পেটে ভর দিয়ে ঘুমালে তার শ্বাস প্রশ্বাস আটকে যেতে পারে। এভাবে ঘুমানোর ফলে বিছানায় বা চাদরে থাকা জীবাণু নিঃশ্বাসের সাথে তার শরীরে প্রবেশ করতে পারে।

কোন কোন ক্ষেত্রে শিশুদের পেটের উপর বা উপুড় করে শোয়ানোর পরামর্শ দেয়া হতে পারে?

বিরল ক্ষেত্রে, শারীরিক কোন অবস্থার কারণে, ডাক্তার বাবা মাকে শিশুকে পেটের উপরে ঘুম পাড়াতে পরামর্শ দিতে পারে। কিছু চিকিৎসক বিশ্বাস করেন যে গুরুতর গ্যাস্ট্রোএসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ( gastroesophageal reflux) বা পিয়েরে রবিন সিনড্রোমের (Pierre Robin Syndrome) মতো কিছু সমস্যার কারনে বাচ্চাদের পেটের উপর ঘুমাতে দেওয়া উচিত, যা শিশুদের শ্বাস প্রশ্বাস সমস্যা সমাধান করে।

Leave a Reply

Translate »